কোহলিকে টপকে গেলেন তরুণ ভারতীয় ক্রিকেটার

মুম্বই: এখনও জাতীয় দলের জার্সি হাতে পাননি৷ তার আগেই বিরাট কোহলিকে ছাপিয়ে গেলেন তরুণ ঘরোয়া ক্রিকেটার৷ তাও আবার ফিটনেসের প্রশ্নে৷

কোহলির ফিটনেস নিয়ে গোটা ক্রিকেটবিশ্বে রীতিমতো চর্চা হয়ে থাকে৷ বিরাটের ফিটনেস নিয়ে আপোশহীন মানসিকতা তরুণ প্রজন্মকে উদ্বুদ্ধ করে৷ ক্রিকেটীয় বিষয়ে সচিন-সৌরভরা বহু উঠতি ক্রিকেটারের আদর্শ হতে পারেন৷ তবে ফিটনেসে তরুণ প্রজন্মের আদর্শ কোহলিই৷

আরও পড়ুন: ‘এ’ দলের হয়ে বেসরকারি টেস্টে রাহানে-বিজয়

- Advertisement -

এহেন বিরাটকে ফিটনেস টেস্টে পিছনে ফেলে দিলেন ২১ বছরের মায়াঙ্ক ডাগর, সম্পর্কে যিনি টিম ইন্ডিয়ার প্রাক্তন ওপেনার বীরেন্দ্র সেহওয়াগের ভাইপো হন৷

জাতীয় দলে নির্বাচিত হতে হলে প্রত্যেক ক্রিকেটারের ইয়ো ইয়ো ফিটনেস টেস্টে পাশ করা বাধ্যতামূলক৷ দল নির্বাচনের আগে তাই বিবেচনাধীন সমস্ত ক্রিকেটারকে ইয়ো ইয়ো টেস্টে পাশ করতে হয়৷ ইয়ো ইয়ো টেস্টের পাশ করতে হলে নূন্যতম ১৬.১ পয়েন্ট স্কোর করতে হয়৷

আরও পড়ুন: মন্থর ব্যাটিংয়ের জন্য বিদ্রুপ শুনলেন ‘গ্রেট ফিনিশার’

কোহলির ইয়ো ইয়ো টেস্টের স্কোর ১৯৷ এতদিন তিনিই টিম ভারতের সব থেকে ফিট ক্রিকেটার ছিলেন৷ মায়াঙ্ক ডাগর পিছনে ফেল দিনের বিরাটকে৷ তাঁর ইয়ো ইয়ো টেস্টের স্কোর ১৯.৩ পয়েন্ট৷

একা মায়াঙ্ক ডাগরই নয়, কোহলিকে ছাপিয়ে গিয়েছেন সীমিত ওভারের ক্রিকেটে কোহলির সংসারের অন্যতম সদস্য মণীশ পান্ডেও৷ তাঁর ইয়ো ইয়ো টেস্টের স্কোর ১৯.২ পয়েন্ট৷

মায়াঙ্ক ডাগর ইন্ডিয়া ক্যাপ হাতে না পেলেও ২০১৬ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ভারতীয় দলের সদস্য ছিলেন৷

আরও পড়ুন: বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে রাশিয়ায় সৌরভ

সম্প্রতি ইয়ো ইয়ো টেস্টে ফেল করে একাধিক ক্রিকেটার জাতীয় দল থেকে ছিটকে গিয়েছেন৷ আম্বাতি রায়াড়ু আসারল্যান্ড ও ইংল্যান্ড সফরের সীমিত ওভারের দলে জায়গা পেয়েছিলেন৷ ইয়ো ইয়ো টেস্টে পাশ করতে না পারায় তাঁর পরিবর্তে দলে ঢুকে পড়েন সুরেশ রায়না৷

মহম্মদ শামি আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে একমাত্র টেস্টের দলে নির্বাচিত হয়েছিলেন৷ ইয়ো ইয়ো টেস্টে ফেল করায় তাঁর জায়গায় দলে ঢোকেন নবদীপ সাইনি৷ সঞ্জু স্যামসন ইয়ো ইয়ো টেস্টে পাশ করতে না পারায় ‘এ’ দলের ইংল্যান্ড সফর থেকে ছিটকে যান৷

আরও পড়ুন: সচিন-সৌরভের ক্লাবে পা রাখলেন ধোনি

ফিটনেস টেস্টের একক হিসাবে ইয়ো ইয়ো টেস্টের বাধ্যবাধকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে বিসিসিআয়ের কমিটি অফ অ্যাডমিনিস্ট্রেটর্স৷ সিওএ প্রধান বিনোদ রাই এই নিয়ে প্রশ্ন তোলার পর টিম ম্যানেজমেন্টের তরফে বিরক্তিও প্রকাশ করা হয়ে৷ টিম ম্যানেজমেন্টের প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া ছিল, সব বিষয়ে নাক গলানো ছাড়া কি বোর্ড কর্তাদের আর কোনও কাজ নেই!

Advertisement ---
---
-----