ফুলশয্যার পর স্ত্রীকে সায়ানাইড খাইয়ে হত্যা সিরিয়াল কিলারের

নয়াদিল্লি: মানব সভ্যততার ইতিহাসে সিরিয়াল কিলিংয়ের ঘটনা অনেক পুরানো৷ ইতিহাতের পাতায় এমন অনেক সিরিয়াল কিলার রয়েছে যাদের হত্যালীলা শুনলে চোখ কপালে উঠতে বাধ্য৷ তেমনই এক সিরিয়াল কিলার সায়ানাইড মোহন৷ এই কিলার ফুলশয্যার রাতে স্ত্রীকে পটাশিয়াম সায়ানাইড খাইয়ে খুন করত৷ তারপর তার সমস্ত গয়নাগাটি লুঠ করে চম্পট দিত৷

কর্ণাটকের বিখ্যাত সিরিয়ার কিলার সায়ানাইড মোহনের আসল নাম মনোজ কুমার ছিল৷ পেশায় একজন স্কুল শিক্ষক ছিল মোহন৷ শিক্ষক হলেও তার প্রধান কাজ ছিল বিয়ের পর স্ত্রীকে খুন করে তার গয়না লুঠ করা৷ পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বিয়ের পর গোটা রাত নববধূর শরীর ভোগ করত সে৷ পর দিন সকালে গর্ভনিরোধক খাওয়ানোর নাম করে তাদের সায়ানাইড খাইয়ে খুন করত সে৷ এরপর বধূর সমস্ত গয়নাগাটি হাতিয়ে নেওয়াই ছিল তার প্রধান উদ্দেশ্য৷ ২০০৫ থেকে ২০০৯ সালের মধ্যে প্রায় ২০ জন মহিলাকে খুন করেছে মোহন৷

সুনন্দা নামের এক মহিলাকে বিয়ের পর খুন করে মোহন৷ সুনন্দা বাড়ি থেকে মন্দির যাবেন বলে বেড়িয়েছিলেন কিন্তু তার মৃতদেহ মৌসুরের বাসস্ট্যান্ড থেকে উদ্ধার করা হয়৷ ২০০৯ সালে অনিতা নামের এক যুবতীকে নিজের জালে ফাঁসায় মোহন৷ এরপরেই তার কুকর্মের পর্দাফাঁস হয়৷
২০০৯ সালে গ্রেফতার হওয়ার পর চার বছর ধরে মোহনের বিরুদ্ধে মামলা চলে৷ ২০১৩ সালে মোহনকে খুনের মামলায় দোষী সাব্যস্ত করা হয়৷ এরপরেই সেবছর ডিসেম্বর মাসে তাদের ফাঁসীর সাজা দেওয়া হয়৷

Advertisement ---
---
-----