উন্নাও: অবশেষে উন্নাও গণধর্ষণকাণ্ডের বিচারপ্রক্রিয়া গতি পেল৷ বিধায়ক কুলদীপ সিং সেনাগরের নাম উঠল চার্জশিটে৷ কুলদীপের বিরুদ্ধে ৩৬৩ ধারায় অপহরন,৩৬৬ ধারায় হেনস্থা,৩৭৬ ধারায় ধর্ষণ ও ৫০৬ ধারায় অপরাধমূলক কার্যকলাপের মামলা দায়ের হয়েছে৷ এছাড়াও পকসো মামলার কোপেও বিজেপি বিধায়ক৷

আরও পড়ুন: বর্ষার আগেই নদী ভাঙন রুখতে তৎপর জেলাশাসক

Advertisement

চলতি বছরের এপ্রিলে উন্নাও গণধর্ষণের তদন্তভার নেয় সিবিআই৷ অভিযুক্ত বিধায়কের বিরুদ্ধে ৩টি আলাদা মামলা দায়ের হয়৷ প্রথম মামলা ধর্ষণের, দ্বিতীয় মামলা নির্যাতিতার বাবাকে ভুয়ো মামলায় ফাঁসানো, যার জন্য পুলিশি অত্যাচারে তাঁর মৃত্যু৷ ৭ জুলাই তৃতীয় মামলাও দায়ের করে সিবিআই৷ নির্যাতিতার বাবাকে খুন করার অভিযোগে মামলা দায়ের হয় কুলদীপ ও তার ভাই অতুল সেনগরের বিরুদ্ধে৷

আরও পড়ুন: ম্যারাথন লড়াইয়ে হেরে উইম্বলডন থেকে বিদায় ফেডেরারের

২৩ মে উন্নাওকাণ্ডে অভিযুক্ত বিজেপি বিধায়ক কুলদীপ সেনগরকে হেফাজতে নেয় সিবিআই৷ ২০১৭-র ৪ জুন নিজের বাড়িতে তরুণীকে ধর্ষণ করে বিজেপি বিধায়ক৷ ১বছর কেটে গেলেও ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করেনি পুলিশ৷ ধর্ষিতার বাবা সেই অভিযোগ পুলিশকে জানালে পাল্টা প্রতিশোধের মুখে পড়েন৷ ভুয়ো মামলায় ধর্ষিতার বাবাকে গ্রেফতার করে পুলিশ৷ জেরার নামে চলে অকথ্য অত্যাচার৷ অভিযোগ, বিজেপি বিধায়ক কুলদীপ সেনগরের নির্দেশেই এতটা বেপরোয়া হয় পুলিশ৷

আরও পড়ুন: ছত্রধরের বিরুদ্ধে ইউএপিএ ধারা নিয়ে প্রশ্ন হাইকোর্টে

অত্যাচারেও থেমে থাকেনি পুলিশ৷ ধর্ষিতার বাবার মেডিক্যাল টেস্টেও গাফিলতি ধরা পড়ে৷ একটি প্রকাশিত ভিডিও ফুটেজে সেই প্রমাণও মেলে৷ যেখানে দেখা যায়, মেডিক্যাল টেস্ট করাতে এসে ধর্ষিতার বাবাকে নিয়ে মজাক করছিলেন আধিকারিকরাই৷ এর কিছুক্ষণ পরই ধর্ষিতার বাবার মৃত্যু হয় ৷ তখনও নিজেদের দোষ ঢাকতে মৃত্যুর আসল কারণ লুকিয়ে রাখে পুলিশ৷ গোটা ঘটনায় বিজেপি বিধায়কের প্রত্যক্ষ হাত আছে বলে দাবি সিবাআইয়ের৷ তাই, অপরাধমূলক কাজে তখনই প্ররোচনা ও ষড়যন্ত্রের মামলা দায়ের হয়েছে সেনগরের বিরুদ্ধে৷

আরও পড়ুন: ছত্রধরের বিরুদ্ধে ইউএপিএ ধারা নিয়ে প্রশ্ন হাইকোর্টে

----
--