নয়াদিল্লি: একদিকে তিনি যখন মোদী বিরোধী শিবিরে ভিড়ছেন তখনই বিহারে আরএলএসপি’র বিরোধ এলো সামনে৷ সদ্য এনডিএ ও মন্ত্রীত্ব ত্যাগী উপেন্দ্র কুশওয়াহার কপালে চিন্তার ভাঁজ বাড়িয়ে দলের বিধায়কদের একাংশের ঘোষণা তারা বিজেপির সঙ্গেই আছেন৷

শনিবার কংগ্রেস নেতা আহমেদ প্যাটলের সঙ্গে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সাক্ষাতের পর রাজধানীতে আলোচনা তুঙ্গে৷ এই কিছুদিন আগেই বিজেপির বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ তুলে এনডিএ শিবির ত্যাগ করেছেন উপেন্দ্র কুশওয়াহা৷ আরএলএসপির পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে সবার নজরও ছিল৷ তিনি যে বিজেপি বিরোধী শিবিরে যেতে পারেন এমন সম্ভাবনার কথাও বলা হচ্ছিল৷ শনিবার সোনিয়া গান্ধী ঘনিষ্ঠ কংগ্রেস নেতার সঙ্গে সাক্ষাতের পর সেই জল্পনা আরও বাড়ল তা নিয়ে সন্দেহ নেই৷

 

সূত্রের খবর, দুই নেতার মধ্যে বিহারের আসন ভাগাভাগি নিয়ে কথা হয়েছে৷ আলোচনা কতটা ফলপ্রসূ হয়েছে তা এখনও জানা যায়নি৷ তবে আরএলএসপি’র মুখপাত্র ফজল ইমাম মল্লিক জানিয়েছেন, কংগ্রেসের সঙ্গে এটা তো প্রথম সাক্ষাতকার৷ আরও আলোচনা হবে৷ আশা করা যায় দুই নেতার মধ্যে আলোচনা ইতিবাচক হবে৷ এদিন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বাড়িতে হয় বৈঠক৷

তবে কুশওয়াহা যখন পটেলের সঙ্গে বৈঠকের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত তখন বিহারে ঘটে গিয়েছে একটি অপ্রত্যাশিত ঘটনা৷ যা দলকে অস্বস্তিতে ফেলে দেওয়ার পক্ষে যথেষ্ট৷ কুশওয়াহা ঘটা করে এনডিএ’র সঙ্গ ত্যাগ করার কথা জানিয়ে দিলেও তা মেনে নিতে নারাজ দলের একটা বড় অংশ৷ শনিবারই বিহারে দলের একটা অংশ জানিয়েছে তারা এখনও এনডিএ’র সঙ্গেই আছে৷ দলীয় সভাপতি নিজের ব্যক্তিগত স্বার্থের জন্য এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন৷

প্রসঙ্গত বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের সঙ্গে আসনরফার পর বিজেপি আরএলএসপিকে মাত্র দু’টি আসন ছাড়তে রাজি হয়েছে৷ অথচ গতবার লোকসভা ভোটে কুশওয়াহার দল তিনটি আসনে জয়ী হয়৷ ফলে এবার তারা আরও বেশি আসনের দাবি জানিয়েছিল৷ কিন্তু অনেক হুংকার, হুঁশিয়ারির পরও প্রত্যাশা পূরণ না হওয়ায় শেষমেশ এনডিএ শিবির থেকে বেরিয়ে আসার কথা ঘোষণা করে দেন কুশওয়াহা৷

--
----
--