নজিরবিহীন! উত্তর কোরিয়ার কাছে সেনা দফতর আমেরিকার

সিওল: টানা ৭০ বছর দঃ কোরিয়ার সিওলে জেঁকে বসেছিল আমেরিকা৷ কোরিয়ায় মার্কিন সেনা দফতর ছিল সিওলেই, সেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় থেকে৷ দীর্ঘ সময় পেরিয়ে এবার নতুন ঠিকানা৷ আর সিওল নয়, এবার পিয়ংটেক৷ উত্তর কোরিয়ার সীমানার কাছে সেনা ছাউনির শহর পিয়ংটেক৷

সিওলের দক্ষিণে ৭০ কিলোমিটার দূরে হোমফেরি ক্যাম্প৷ সেখানেই আমেরিকার নতুন ঘাঁটি৷ কয়েকদিন আগেই সিঙ্গাপুরে উত্তর কোরিয়ার পরমানু কার্যকলাপ নিয়ে বৈঠকে বসেন ট্রাম্প-কিম৷ বৈঠকের পরই সমস্ত শত্রুতা ভুলে কিমকে আপন করেন ট্রাম্প৷ জানান, আর ভয় নেই, উত্তর কোরিয়ার পরমানু হুমকি পাবে না আমেরিকা৷ সেই উত্তর কোরিয়া সীমান্তের কাছে জাঁকিয়ে বসল মার্কিন সেনা৷ পিয়ংটেকে মার্কিন সেনা ধীরে ধীরে আসা শুরু করেছে৷ জুলাই মাসের মধ্যেই সিওল খালি করবে আমেরিকা৷

শুক্রবার পিয়ংটেকে আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন হল মার্কিন হেড কোয়ার্টারের৷ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় সিওলের ইয়ংসানে আসে আমেরিকা বাহিনী৷ দক্ষিণ কোরিয়া-আমেরিকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের প্রতীক ৭০ বছরের এই হেড কোয়ার্টার৷ প্রতিরক্ষামূলক বিভিন্ন খাতে উভয়পক্ষই বিনিয়োগের হাত বাড়িয়েছে৷ পিয়ংটেকে মার্কিন সেনা দফতর গঠনে ৯০ শতাংশ আর্থিক বিনিয়োগ করেছে দঃ কোরিয়া৷ সেনা হেড কোয়ার্টার উদ্বোধনের সময় দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জায় ইন জানান, সেনা দফতর বদলে গেলেও প্রতিরক্ষা পেরিয়ে আমেরিকা-দঃ কোরিয়ার বন্ধুত্ব আরও জোরদার হবে৷

- Advertisement DFP -

নতুন সেনা দফতের মোট ২৮,৫০০ মার্কিন সেনা থাকবে৷ কিছু সেনা থাকবে দঃ কোরিয়ার দেগু শহরে৷ পিয়ংটেকের কাছের শহর উঃ কোরিয়ার রাজধানী পিয়ংইয়ং৷ কয়েকদিন আগেই উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে আমেরিকার শত্রুতার বরফ গলেছে৷ পরমানু কার্যকলাপ নিয়ে ট্রাম্পকে ইতিবাচক আশ্বাস দিয়েছেন কিম৷ ঘটনার এক মাসের মধ্যেই সিওলের বদলে পিয়ংটেকে মার্কিন সেনা দফতরের বদল৷

প্রশ্ন উঠছে, কিমের উপর নজর রাখতেই কি পিয়ংটেক বাছা হল? না কি উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক গাঢ় করাই আমেরিকার লক্ষ্য?অবশ্য, এখনও সিওল ছাড়ার সঠিক কারণ জানায়নি আমেরিকা৷

Advertisement
----
-----