পঞ্জাবের আগে কোনও দলই নয়: সিধু

নয়াদিল্লি:  সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পাঁচদিন পর দিল্লিতে দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন নভজোৎ সিং সিধু। রীতিমতো তুলোধোনা করলেন  নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বকে। তবে প্রশংসা করলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর।

গত সপ্তাহেই রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন সিধু। ইস্তফা প্রসঙ্গে তখন একটি কথাও বলেননি তিনি। তবে সোমবার সাংবাদিক সম্মেলনে  বিজেপির বিরুদ্ধে একের পর এক তোপ দাগলেন। তাঁর দাবি,  পঞ্জাবের নাম মুখে আনতে নাকি তাঁকে বারণ করা হয়েছিল দলের তরফে। একবার বা দু-বার নয় চারবার এই ধরণের নির্দেশ তাঁকে শুনতে হয়েছিল। এমনকি পঞ্জাব থেকে ভোটে  লড়ার ‘খোয়াব’ দেখতেও নাকি নিষেধ করেছিল দল। পঞ্জাবের আগে তার কাছে কোনও দলই নয় বলে এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে দাবি করেন পাটিয়ালার ছেলে সিধু। তবে সাংবাদিক সম্মেলনে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীকে দরাজ সার্টিফিকেট দিলেন তিনি। বললেন, ২০০৪ সালে সাংসদ হওয়ার পর অটল বিহারী বাজপেয়ী  টেলিফোনে তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন। আর এখন তাঁরই দলের দায়িত্বে থাকা নেতা(পড়ুন, নরেন্দ্র মোদী) তাঁকে ক্রমশ কোণঠাসা করে দিচ্ছে  তবে তিনি আপে যোগ দেবেন কিনা সেই প্রসঙ্গ এদিন এড়িয়ে যান৷

অন্যদিকে দলের প্রাক্তন এই সাংসদের  সমস্ত অভিযোগই অস্বীকার করেছে বিজেপি। আসন্ন পঞ্জাব বিধানসভা নির্বাচনে দল তাঁকে গুরুত্বপূর্ণ কাজ দিতে চেয়েছিল বলে বিজেপির তরফে দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি রাজ্যের প্রচার-কমিটিতে তাঁর নামও রাখা হয়েছিল বলে জানানো হয়েছে। এই ইস্যুতে আগাগোড়াই সিধুর সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানিয়ে এসেছেন আপ সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়াল। সোমবার নতুন করে কিছু না জানালেও এর আগে সিধুর ইস্তফার দিন নিজের ট্যুইটারের দেওয়ালে একটি মন্তব্য পোস্ট করেন তিনি। যার ফলে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছে আদতে পঞ্জাবে বিধানসভা নির্বাচনের আগে  সিধুর জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করছেন কেজরি। এমনকি দলের   সাংসদ ভগওয়ান্ত মান জানিয়েছিলেন, দলে আসতে চাইলে সিধুকে স্বাগত জানানো হবে। তবে সিধু এখন কি করেন সেটাই দেখার।

Advertisement ---
---
-----