দেনার দায়ে জর্জরিত কিংফিশার এয়ারলাইন্সকে বাঁচাতে বিজয় মালিয়া ১৭টি ব্যাংক থেকে ৬,০২৭ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছিল। অথচ সংস্থাকে বাঁচানোর জন্য টাকা ব্যয় করার বদলে ভুয়ো সংস্থার মাধ্যমে বিভিন্ন দেশে সেই টাকার সিংহ ভাগই পাচার করেছেন মালিয়া।

কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআই এবং এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের হাতে এই বিষয়ে যাবতীয় তথ্য প্রমাণ এসে পৌঁছেছে। সেই মর্মে নতুন চার্জশিটও তৈরি করেছেন গোয়েন্দারা। খুব শিগগির তা জমা দেবেন। এই ভাবে নতুন চার্জশিট জমা পড়লে মালিয়াকে ব্রিটেন থেকে দেশে ফিরিয়ে আনাও সহজ হবে বলে দাবি তাঁদের।

কিংফিশারকে চাঙ্গা করতে ২০০৫ থেকে ২০১০ আসলের মধ্যে এসবিআই নেতৃত্বাধীন একগুচ্ছ ব্যাংকের কনসর্টিয়াম থেকে প্রায় ৬,০২৭ কোটি টাকার ঋণ নিয়েছিলেন বিজয় মালিয়া। ওই ঋণের টাকা সুদ সমেত এখন প্রায় ৯,০০০ কোটিতে দাঁড়িয়েছে। ভুয়ো সংস্থার মাধ্যমে দফায় দফায় ওই ঋণের টাকা পাচার হয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ফ্রান্স, আয়ার‌ল্যান্ড সহ মোট সাতটি দেশে। নির্দিষ্টভাবে না বললেও, ৬,০২৭ কোটি টাকার সিংহ ভাগই বিদেশে পাচার করা হয়েছে গোয়েন্দা দফতরের এক আধিকারিক।

যদিও এইসব অভিযোগই ভিত্তিহীন বলেই জানিয়েছেন বিজয় মালিয়া৷

--
----
--