দিল্লি নরম হলেও মমতায় গরম প্রদেশ নেতৃত্ব

কলকাতা: তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কংগ্রেস হাইকম্যান্ড প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মেনে নিলেও এখনই মমতা বিরোধীতা থেকে সরছে না বাংলার কংগ্রেস নেতৃত্ব৷বরং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সুর চড়াতে চলেছে তারা৷ চলতি সপ্তাহে ভারত বাঁচাও কর্মসূচী রয়েছে যুব কংগ্রেসের৷ সেই কর্মসূচীতে মোদী সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগার পাশাপাশি মমতার সরকারকেও একযোগে আক্রমণ করবে তারা৷

কেন্দ্রীয় সরকারের জনবিরোধী নীতির প্রতিবাদে সারা দেশ জুড়ে ভারত বাঁচাও কর্মসূচী নিয়েছে জাতীয় কংগ্রেস৷ বিধানভবন সূত্রের খবর, এই কর্মসূচীতে সামিল হতে ১১ অগাস্ট পথে নামছে এরাজ্যের যুব কংগ্রেস৷ রাজ্য কংগ্রেসের সদর দফতর বিধানভবন থেকে রাজভবন পর্যন্ত মিছিল করবে তারা৷তারপর রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠীর কাছে স্মারকলিপি দেবে৷মূলত কেন্দ্রের বিরুদ্ধে এই কর্মসূচী হলেও শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে ছাড় দিচ্ছে না তারা৷ সারদা-নারদা, নারী নির্যাতন সহ একাধিক ইস্যুতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করবে যুব কংগ্রেস৷

- Advertisement DFP -

কয়েকদিন আগে রাহুল গান্ধী বার্তা দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হন, এই জোটকে নেতৃত্ব দেন তাঁর কোনও অসুবিধা নেই। তারপরই গত বুধবার সোনিয়া গান্ধীর বাসভবনে গিয়ে বৈঠকের পর জোটবদ্ধ নেতৃত্বের বার্তা দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। লোকসভা ভোটের আগে কংগ্রেস-তৃণমূল কাছাকাছি এলেও রাজ্যের কংগ্রেস কর্মীদের একাংশ তৃণমূলের হাত ধরতে নারাজ৷

যুব কংগ্রেস সভাপতি আল বিরুনি বলেন, “সোনিয়া গান্ধী-রাহুল গান্ধী তো আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে আসেননি বৈঠক করতে৷ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের স্বার্থে গিয়েছিলেন৷ দেশে বিজেপি সরকার আর রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের জন্য সাধারণ মানুষ চরম সমস্যার মধ্যে রয়েছে৷”

কিন্তু দিল্লিতে নরম বাংলায় গরম-মমতার প্রতি কংগ্রেসের এই মনোভাব স্বাভাবিকভাবেই কৌতুহল বাড়াচ্ছে৷ রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কী এখনও হাইকম্যান্ডের থেকে এখনও বার্তা পায়নি প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্ব? নাকি সোনিয়া-রাহুল মুখে এক কথা বললেও নতুন কোনও রাজনৈতিক কৌশল নিচ্ছেন?

Advertisement
----
-----