সৌপ্তিক বন্দ্যোপাধ্যায়, কলকাতা : বাংলার কমলালেবু যাচ্ছে বাংলাদেশে। কিন্তু রাজ্যের জন্য থাকছে না স্টক। এমনটাই জানাচ্ছেন ফল ব্যবসায়ীরা। অন্য রাজ্য থেকে কমলালেবু নিয়ে এসে বিক্রি করতে হয়। লাভ ভাঁড়ার শুন্য।

শীতের সময় সবথেকে বেশি চাহিদা থাকে কমলালেবুর। খাবার পাশাপাশি রূপচর্চার জন্য কমলালেবু অনেকেই ব্যবহার করেন। শীতে বিয়ের মরসুমে এই চাহিদা আরও বৃদ্ধি পায়। কিন্তু এত চাহিদা থেকেও রাজ্যের সবথেকে বড় ফলবাজার মেছুয়ার ব্যবসায়ীদের লাভের পরিমান অত্যন্ত কম থাকছে। কারণ প্রতিবেশী বাংলাদেশে রফতানি হয়ে যাওয়া কমলালেবু।

ফল ব্যবসায়ী মহম্মদ ইউসুফ বলেন, “একেই আমাদের রাজ্যে ফল মাণ্ডি নেই। তেমন কোনও আভাসও পাচ্ছি না। ফলে যে যার মতো যেখানে পারে ফল বিক্রি করে বলার কিছু নেই। স্টক করারও জায়গা নেই।” একইসঙ্গে তিনি বলেন, “যা কমলালেবু দার্জিলিং বা মিরিখে হয় সবই বাংলাদেশ চলে যায়। আর তা ছাড়া যেটুকু আসে তার মান ভালো নয়। যেটুকু আসে তার সেল কম।” নাগপুর থেকে কিনতে হয় কমলালেবু।

ফল ব্যবসায়ী মহম্মদ আশরাফ বলেন, “এখন নাগপুরের লেবুর স্টকও শেষ। এবার যা আসবে সবই ইন্দোর আর রাজস্থানের। স্বাদ ভালো। কিন্তু আমদানি করতে হচ্ছে বলে লাভের পরিমান কম থাকছে।” সরকারের ফলের প্রতি নজর দেওয়ার দাবি জানাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।

এদিকে টাস্ক ফোর্স সূত্রে খবর, বেশ কিছু মাস আগে ফলমাণ্ডি তৈরির জন্য তাঁরা আলোচনা করতে গিয়েছিলেন কিন্তু ব্যবসায়ীদের দাবি অনুযায়ী মেছুয়ার ছোট জায়গায় মান্ডি করা সম্ভব নয় । হাওড়ায় মান্ডি গড়লে ব্যবসায়ীদের লভ্যাংশ আরও কমবে।

--
----
--