হোয়াটসঅ্যাপের গুজবেই মৃত ২৯, কড়া বার্তা দিল সুপ্রিম কোর্ট

প্রতীকী ছবি

নয়াদিল্লি: আপনার সন্তানকে অপহরণ করা হতে পারে। এমন কিছু লোক চারোআশে ঘুরে-বেড়াচ্ছে। এই ধরনের হোয়াটসঅ্যাপ বেশ কয়েক মাস ধরেই ঘুরছে সবার মোবাইলে। আর সেই গুজবের উত্তর ভিত্তি করেই একের পর এক মানুষের মৃত্যু হচ্ছে দেশে। কয়েক মাসে সেই মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৯। এবার তাই কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট।

এই অ্যাপের মাধ্যমে এমন গুজব যাতে আগামীদিনে না ছড়ায়, সেদিকে লক্ষ্য রাখার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে শির্ষ আদালতের তরফে। মঙ্গলবার রাতে কেন্দ্রের তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘‌হোয়াটসঅ্যাপের মতো একটি প্ল্যাটফর্মকে ভুলভাল কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। এটা যথেষ্ট উদ্বেগের কারণ। এই উত্তেজক মেসেজগুলোর কারণে অনেকক্ষেত্রেই প্রাণহানি ঘটছে। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের নজরে বিষয়গুলো এসেছে।’‌

ভুয়ো মেসেজ ছড়ানোর জন্য ঠিক কেমন বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়, তা ইতিমধ্যেই হোয়াটসঅ্যাপের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের জানানো হয়েছে। পাশাপাশি এই মেসেজগুলোর হাত থেকে কীভাবে রেহাই পাওয়া যায়, তারও একটা রাস্তা খুঁজে বের করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

- Advertisement -

মন্ত্রকের পক্ষ থেকে এও জানানো হয়েছে, এমন প্রাণহানির ঘটনার ক্ষেত্রে হোয়াটসঅ্যাপ কিন্তু নিজের দায় এড়াতে পারে না। বিশেষ করে হোয়াটসঅ্যাপের মতো একটি জনপ্রিয় মেসেজ অ্যাপকে ব্যবহার করে যখন উত্তেজক মেসেজ ছড়ানো হচ্ছে এবং তা থেকে গণপিটুনিতে মানুষের মৃত্যু পর্যন্ত হচ্ছে।

কয়েকদিন আগে মহারাষ্ট্রে কয়েকজন ছেলেধরার ছবি হোয়াটসঅ্যাপে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে যায়। এই ঘটনার জেরে গ্রামবাসীরা পাঁচজনকে পিটিয়ে মেরে ফেলে। ত্রিপুরাতেও ঘটেছে এমন ঘটনা। ছেলেধরা সন্দেহে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে মারা হয়। ঘটনায় আরও দু’‌জন আহত হন। একই ঘটনা ঘটেছে আসাম, চেন্নাইয়েও। এই খবর ভারত ছেড়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমেও শিরোনামে উঠে এসেছে। আর এরপরই এমন নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট।

Advertisement ---
---
-----