‘১৫ লক্ষ টাকা কবে পাব!’ কি বলল মোদীর দফতর?

নয়াদিল্লি: প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি দেওয়া ১৫ লক্ষ টাকা কবে পাওয়া যাবে৷ মোক্ষম প্রশ্ন করেছিলেন জনৈক মোহন কুমার শর্মা৷ প্রধানমন্ত্রীর দফতরে আরটিআই করে জানতে চেয়েছিলেন এই তথ্য৷
মোহন শর্মা মুখ্য তথ্য কমিশনার আর কে মাথুরকে জানিয়েছিলেন, এই সংক্রান্ত কোনও তথ্য তাঁকে জানানো হয়নি।

তবে পরে জবাবে পিএমও জানিয়েছে, আরটিআই নিয়ম অনুযায়ী এমন প্রশ্ন তথ্য বা ইনফরমেশন-এর আওতায় পড়ে না। ফলে এর উত্তর দেওয়া সম্ভব নয়।

কেন্দ্রীয় তথ্য কমিশন সমস্ত ঘটনা খতিয়ে দেখে প্রধানমন্ত্রী দফতরের সঙ্গে সহমত জানিয়েছে। এবং জানিয়েছে, পিএম-ও এবং আরবিআই যে ব্যাখ্যা এই প্রসঙ্গে আরটিআই প্রশ্নে দিয়েছে তা সন্তোষজনক। ফলে টাকা কবে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকবে এই আরটিআই প্রশ্নের উত্তর দেওয়া সম্ভব নয়।

- Advertisement -

পিএমও জানিয়েছে, এই প্রশ্নের জবাব কোনও দলিল, নথি, লিখিত আকারের কোনও প্রমাণপত্র বা রেকর্ডে নেই৷ তাই এই প্রশ্ন সরকারের আওতাভুক্ত নয়৷

২০১৪ লোকসভা ভোটের আগে কংগ্রেস তথা ইউপিএ সরকারের আমলে হওয়া দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রচার করেছিল বিজেপি। নরেন্দ্র মোদী জানিয়েছিলেন, দেশ থেকে চলে যাওয়া কালো টাকা ফেরত এনে দেবে তাঁর বিজেপি সরকার৷ শুধু তাই নয়, সকলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ১৫ লক্ষ টাকা করে পৌঁছে দেবে কেন্দ্র।

সেটা ফাঁকা আওয়াজ ছিল, নির্বাচনে জিততেই মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন মোদী। এমনটাই অভিযোগ ছিল বিরোধীদের। সেই প্রতিশ্রুতি কতদূর রক্ষা করতে পারল কেন্দ্র তা জানতে তথ্য জানার অধিকার আইনে এক ব্যক্তি প্রশ্ন করে প্রধানমন্ত্রী দফতরে। প্রশ্ন করা হয়, ১৫ লক্ষ টাকা কবে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকবে?

এই আরটিআই প্রশ্ন করা হয় ২০১৬ সালের ২৬ নভেম্বর। সেই মাসেই ৮ নভেম্বর পুরনো ৫০০ ও ১ হাজার টাকার নোট কেন্দ্র বাতিল করে দেয়। সেই নোট বাতিলের ঘটনার কয়েকদিন পরেই প্রশ্ন করা হয়। কবে প্রতিশ্রুতিমতো ১৫ লক্ষ টাকা অ্যাকাউন্টে ঢুকবে তা জানতে চাওয়া হয়।

পাকিস্তানের স্টক এক্সচেঞ্জের নথিভুক্ত মোট বাজারমূল্যের তুলনায় টিসিএসের বাজারমূল্য বেশি।

Advertisement ---
---
-----