ফাইনালের লড়াইয়ে এগিয়ে কে!

মস্কো: ১৯৯৮, ২০০৬ দু’বারের বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে ফ্রান্সের ঝুলিতে৷ ১৯৯৮ বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদও পেয়েছে ফ্রান্স৷ ক্রোয়েশিয়ার ঝুলিতে বড় সাফল্যের অভিজ্ঞতা বলতে ১৯৯৮ বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে ফ্রান্সের কাছেই হার৷ কিন্তু তাতে কী? গ্রুপ পর্যায় থেকে সবকটি ম্যাচ জিতে ফাইনালের মঞ্চে পদার্পণ করেছে ক্রোটরা৷

স্বাভাবিকভাবেই অতীত পরিসংখ্যানের দিকে তাকাতে চাইছে না ক্রোয়েশিয়া৷ ফ্রান্সের কাছে লুজনিকির ফাইনাল যদি ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটানোর মঞ্চ হয় তাহলে ক্রোটরা বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচ খেলতে নামবে ইতিহাস গড়ার লক্ষ্য নিয়ে৷

আরও পড়ুন:গৃহযুদ্ধে স্বাধীন ক্রোয়েশিয়ার বিশ্বজয়ের অপেক্ষা

- Advertisement -

গ্রুপ পর্ব থেকে সব কটি ম্যাচ অপরাজিত থেকে বিশ্বকাপ ফাইনালে পৌঁছেছে ফ্রান্স৷ অনবদ্য ছন্দে রয়েছেন ফ্রান্সের দুই ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপে এবং আঁতোয়া গ্রিজমান৷ পল পোগবাও মাঝ মাঠের দায়িত্ব শক্ত পায়ে সামলাচ্ছেন৷ লুজনিকি স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচ খেলতে নামার আগে পর্যন্ত ফ্রান্সের দুই ফরোয়ার্ডের গোলসংখ্যা তিন৷ যদিও এমবাপে এবং গ্রিজমান দুজনেই গোল্ডেন বুটের লড়াই থেকে অনেকটাই দূরে রয়েছেন৷

ক্রোয়েশিয়া শেষবার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠেছিল দু’দশক আগে৷ ১৯৯৮ সালে আয়োজক ফ্রান্সের কাছে শেষ চারের লড়াইয়ে হেরে গিয়েছিল তারা৷ কাকতালীয়ভাবে এবার ফাইনালে ক্রোয়েশিয়ার প্রতিপক্ষ সেই ফ্রান্স৷ সুতরাং কুড়ি বছর আগে হারের মধুর প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ তৈরি ক্রোটদের সামনে৷ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সমস্ত মশলা উপস্থিত ক্রোট দলে৷ বিশ্বকাপ মঞ্চে গোল পেয়েছেন ক্রোট অধিনায়ক মদ্রিচ এবং রাকিটিচরা৷

আরও পড়ুন:ক্রোয়েশিয়ার সুপার কোচের প্রিমিয়র ভবিষ্যত নিয়ে জল্পনা

উল্লেখযোগ্য বিষয় হল এর আগে ১৯৯৮ বিশ্বকাপে তৃতীয় স্থান দখল করাই ছিল এ পর্যন্ত বিশ্বকাপে ক্রোয়েশিয়ার সেরা পারফরম্যান্স৷ সেই স্মরণীয় দিনটিও ছিল ১১ জুলাই৷ কুড়ি বছর পর ১১ জুলাইয়েই বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠে শাপমুক্তি ঘটিয়েছে ক্রোয়েশিয়া৷ রবিবার মদ্রিচ, রাকিটিচদের উপর ভর করে বিশ্বজয়ের স্বপ্নে বিভোর থাকছে ক্রোটরা৷

আরও পড়ুন:রোনাল্ডো-মেসি যুগের শেষে ব্যালন ডি’অরের দাবিদার মদ্রিচ

Advertisement ---
---
-----