উইকিলিকসের বাসি ‘তথ্যে’ দেশদ্রোহী মনমোহন সিং!

নয়াদিল্লি: পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো করতে গিয়ে সিয়াচেন হিমবাহ নাকি দিয়ে দিতে রাজি ছিলেন ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ডঃ মনমোহন সিং।  উইকিলিকসের সূত্রে এই খবর জানা গিয়েছে।  যদিও ডঃ মনমোহন সিং পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে এমন অনেক আস্থাবর্ধক পদক্ষেপের কথা ভেবেছিলেন, যা আগে কেউ ভাবেনি।  প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য ছিল, বাস্তবটা আমাদের বাস্তব বলেই মেনে নিতে হবে।  না হলে রক্তক্ষয় বন্ধ করা যাবে না।  কিন্তু তিনি সিয়াচেন হিমবাহ পাকিস্তানকে দিয়ে দিতে রাজি ছিলেন, এমন দাবি এ পর্যন্ত কেউই করেনি।  এমনকী, তখনকার বিরোধীপক্ষ এনডিএ-ও এমন অভিযোগ তোলেনি।  তাদের বক্তব্য ছিল, মনমোহন সিং পাকিস্তানের প্রতি বড্ড বেশি নরম মনোভাব দেখাচ্ছেন।  তা বলে তিনি সিয়াচেন দিয়ে দিতে চান, এই অভিযোগ তারা কোনও দিনই তোলেনি।

 

বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের প্রিন্টস্ক্রিন

কিন্তু উইকিলিকস এমন একটা বোমা ফাটিয়েছে, যার ফলে মনমোহন সিংকে দেশদ্রোহীর কাঠগড়ায় উঠতে হতে পারে।   ঠিক এমন সময়েই উইকিলিকসের এই ‘তথ্য’ ফাঁস হল, যখন ভারতের সঙ্গে মস্কো এবং বেজিং- উভয়েরই সম্পর্কটা উষ্ণ হতে চলেছে।  বিশেষ করে কট্টরপন্থী মুসলিম সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় এই তিন দেশ একসঙ্গে লড়াই করতে তৈরি হয়েছে।  আরও যেটা বিস্ময়ের, খবরটি নতুন কিছুও নয়।  উইকিলিকসের এই ‘তথ্য’ প্রকাশ পেয়েছিল সেই ২০১১ সালে।  যখন উইকিলিকসের খবর নিয়ে গোটা বিশ্বে তোলপাড় পড়ে গিয়েছিল।  এতদিন বাদে সেই তথ্য পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যমের মারফত পুনরায় প্রচার করে কে বা কারা বোমা ফাটাতে চাইছে, সেটা পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে না।  তবে আন্দাজ করা যায় বইকি!

- Advertisement -

যদিও উইকিলিকস যাদের দেশের, সেই আমেরিকায় এখন জেরার নামে সিআইএ’র নির্যাতনের রিপোর্ট কংগ্রেসের হাত থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার জন্যে যারপরনাই চেষ্টা করছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।  তবে সে আলাদা প্রসঙ্গ।  এর আগেও দেখা গিয়েছে, ভারত যখনই তার সার্বভৌমত্ব বজায় রাখার অবস্থানে অটল থাকে, তখনই মার্কিন প্রশাসন তাকে নানাভাবে বিপাকে ফেলার কিংবা অপদস্থ করার চেষ্টা করে।  তা সে ক্ষমতায় যারাই থাক।

কি বলছে উইকিলিকস? রইল লিঙ্ক 

 

Advertisement ---
---
-----