‘অভিযুক্তকে ইসলাম ধর্ম নিতে হবে’, সরব ওয়াইসি

হায়দরাবাদ: দিন কয়েক আগেই জোর করে এক মুসলিম যুবকের দাড়ি কাটানোর ঘটনা সামনে আসে৷ রীতিমতো চাঞ্চল্য তৈরি হয় ওই ঘটনায়৷ ঘটনার প্রেক্ষিতে মন্তব্য করে আবার বিতর্ক তৈরি করলেন অল ইন্ডিয়া মজলিশ ই ইত্তেহাদুল মুসলিমিন বা এআইএমআইএমের প্রধান আসাদুদ্দিন ওয়াসি৷

তাঁর মতে যে বা যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের প্রত্যেককে মুসলিম বানাতে হবে৷ তবেই তাদের শাস্তি পূর্ণ হবে৷

পাশাপাশি তিনি বলেন এই ঘটনার অভিযুক্তদের একটাই শাস্তি তাদের মুসলিম হয়ে দাড়ি রাখতে হবে৷ তিনি ওই অভিযুক্তদের পরিবারকে উদ্দেশ্য করে বলেন তারা যেন এই শাস্তির কথা মাথায় রাখেন৷ কারণ এটাই করা হবে দোষীদের সাথে৷

- Advertisement -

ইতিমধ্যে গুরুগ্রামের এই ঘটনায় তিন অভিযুক্তকে পাকরাও করেছে পুলিশ৷ এরআগে, দাড়ি রাখা যাবে না৷ এমনই অদ্ভুত দাবি নিয়ে এক মুসলিম যুবককে দাড়ি কাটতে বাধ্য করে তিন যুবক৷ হরিয়ানার গুরুগ্রামের সেক্টর ২৯-এ এই ঘটনা ঘটেছে৷ এদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে৷

ঘটনার সূত্রপাত ৩১শে জুলাই রাতে৷ ইউনুস নামে ওই মুসলিম যুবককে আচমকাই ঘিরে ধরে একদল যুবক৷ তাদের দাবি ইউনুস পাকিস্তানি৷ তাই সে নিজের দাড়ি কাটেনি৷ এরপরেই শুরু হয় বচসা৷ তা গড়ায় মারামারিতে৷ এরপরেই ইউনুসকে জোর করে সেলুনে নিয়ে যায় ওই যুবকরা৷

কিন্তু সেলুনের কর্মচারী জানান, তিনি দাড়ি কাটবেন না৷ এরপর ওই যুবকরা দু’জনকেই মারধর করে। শেষে চেয়ারের সঙ্গে জোর করে ইউনুসকে বেঁধে রেখে ওই কর্মচারিকে তার দাড়ি কাটতে বাধ্য করে যুবকরা৷ মেওয়াটের বাদলি এলাকার বাসিন্দা আক্রান্ত জাফারুদ্দিন এরপরই পুলিসে যুবকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন।

গুরুগ্রামের ডিএসপি (ক্রাইম) সুমিত কুমার জানিয়েছেন ওই নাপিত সমেত তিন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে৷ তবে এই ঘটনাটি একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা৷ এর সঙ্গে কোনও দলের কোনও যোগ নেই৷ এরআগে, রাজস্থানের আলওয়ারে গরু পাচারের অভিযোগে ২৮ বছরের রাকবার খানের মৃত্যু হয় গণপিটুনিতে৷ জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে কয়েকটি গরু নিয়ে যাচ্ছিলেন রাকবার। গতবছর একইরকমভাবে আলওয়ার জেলাতেই গণপিটুনিতে মারা গিয়েছিলেন পেহলু খান।

গরু পাচারকারী সন্দেহে দেশজুড়ে ক্রমবর্ধমান গণধোলাইয়ের মৃত্যুর ঘটনায় উদ্বেগপ্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। প্রতিটি রাজ্যকে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গণধোলাইয়ের মোকাবিলায় রাজ্যগুলিকে পদক্ষেপের কথা লোকসভার অধিবেশনে মনে করিয়ে দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদী।

Advertisement ---
-----