মানসী সাহা, কলকাতা: হামি ফেরাতে পারেন না কোনও মাতব্বরই। একথা বিলক্ষন জানেন বিচক্ষন এই পরিচালকদ্বয়। তাই যাঁরা ‘পোস্ত’ নিয়ে মুখ শিঁট কিয়েছেন। তাঁদের জন্য উষ্ণ গরমে আদরের ‘হামি’ নিয়ে আসছেন শিবপ্রসাদ ও নন্দিতা। পরিচালকদ্বয় বলছেন, ‘হামি’ হচ্ছে ‘রামধনু’-র সিক্যুয়াল।

আগেরবার দেখানো হয়েছিল, বাচ্চাকে শহরের এক নামী ইংরেজি মাধ্যম ইস্কুলে ভর্তি করানো নিয়ে বাবা-মায়ের লড়াই। আর এবার দেখানো হবে, অভিভাবকদের টানাপোড়েন ও স্কুলের রাজনীতি। যেখানে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করছেন তিন খুদে, ব্রত, তিয়াসা ও অভিরাজ।

” গল্পটা অনেকদিন ধরেই মাথায় ছিল। ‘পোস্ত’র অভিশনের সময় বাচ্চা গুলিকে দেখে এত পছন্দ হয়ে গেল, যে আর তর সইল না। ওরা যদি বড় হয়ে যায়। তাহলে কি হবে! এই ভেবেই ছবিটা এখন করছি” হাসতে হাসতে, জানালেন শিব প্রসাদ। সঙ্গে এটাও বললেন, “এই ছবি চুম্বক নাকি ব্রত। ওর কথা শুরু করলে নাকি সেটের কাউকেই কথা বলতে দেয় না। এমনকি পরিচালকদেরও নয়।

‘পোস্ত’-এর অডিশনের সময় ব্রত আমাকে শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের ‘অবণী বাড়ি আছ’ শুনিয়ে ছিল। তারপর জাস্ট ছিটকে গিয়েছিলাম।” নন্দিতা জানান, ” ‘রামধনু” তে দেখানো হয়েছিল স্কুলে ভর্তির আগের ঘটনা। আর এখানে দেখান হবে, স্কুলে ভর্তির পর অভিভাবকদের মধ্যে যে সম্পর্ক তৈরি হয়, তার ঝলক। এই সিনেমা চাইল্ড সাইকোলজির বিষয়টা ফুটে উঠবে”।

ক্যামেরার পিছনে তো অবশ্যই। এছাড়া এই ছবিতে অভিনয়ও করছেন শিবপ্রসাদ। তাঁর চরিত্রর নাম লালটু। পরিচালদ্বয়ের কথায়, ” সাধারণ মানুষের প্রতিনিধিত্ব করেন লালটু। সেই কারণে এই চরিত্রকে ফিরিয়ে আনা দরকার ছিল।” লালটু সঙ্গে থাকছেন মাতালিও (গার্গী)।

এছাড়া এই ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় দেখা যাবে তনুশ্রী শংকর, সুজন মুখোপাধ্যায়, চূর্ণী গঙ্গোপাধ্যায় কনীনিনা বন্দোপাধ্যায়, দেবলীনা কুমার, মাসুদ আখতর। এছাড়া রয়েছেন শিবু-নন্দিতার তুরুপের তাস অপরাজিতা আঢ্য। শিবপ্রসাদ বলেন, ” যে চরিত্রটা অপরাজিতা করছেন। সেটা অন্য কেউ করতে পারত না”। সঙ্গে বিশেষ ভূমিকায় দেখা যাবে খরাজ মুখোপাধ্যায়কেও।

ছবির মিউজিকের দায়িত্বে রয়েছেন অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়। ‘পোস্ত’, ‘প্রজাপ্রতি বিস্কুট’-এর পর ‘হামি’ নিয়ে আশাবাদী প্রযোজক-পরিচালক সবাই। ছবির শ্যুটিং শেষ হয়ে গিয়েছে। এখন চলছে ডাবিং। সব কিছু সময়ে চললে গরমের ছুটিতে মুক্তি পেতে চলেছে ‘হামি’।

------------------------------------- ©Kolkata24x7 এই নিউজ পোর্টাল থেকে প্রতিবেদন নকল করা দন্ডনীয় অপরাধ৷ প্রতিবেদন ‘চুরি’ করা হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে -------------------------------------