যৌন ব্যবসার ফাঁদে পা দিয়ে সর্বস্বান্ত গৃহবধূ

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: বাড়িতে স্বামীর ক্যান্সার। চিকিৎসার জন্য দরকার অনেক টাকা। তাই বোল্ড রিলেশন ’-এর আক্রান্ত স্বামীর চিকিৎসার খরচ তুলতে চেয়েছিলেন ওই মহিলা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ‘সিকিওরিটি মানি’, ‘মেম্বারশিপ চার্জ’-সহ একাধিক খাতে ধাপে ধাপে ওই বধূকে দেড় লক্ষেরও বেশি টাকা খুইয়ে সর্বস্বান্ত হতে হল। ১ লক্ষ ৬৩ হাজার ২০০ টাকা হারিয়ে প্রতারণার অভিযোগ জানাতে বাধ্য হলেন তিনি৷

মহিলার অভিযোগের ভিত্তিতে কল সেন্টারের নামে রমরমিয়ে দেহব্যবসা চালানো এক সংস্থার ম্যানেজার এবং ছয় ‘ট্রেনার ’কে মঙ্গলবার রাতে গ্রেফতার করেছে কলকাতা গোয়েন্দা পুলিশের প্রতারণা দমন শাখা৷ ছয় ‘ট্রেনার ’-এর মধ্যে চার জন যুবতী৷ এই চক্রের সঙ্গে জড়িত অভিযোগে গত সোমবার সার্ভে পার্ক ও সোনারপুর এলাকা থেকে ১৪ জনকে গ্রেফতার করেছে গোয়েন্দা বিভাগের ‘ইমমরাল ট্র্যাফিকিং (আইটি ) শাখা ’৷

বিশেষ অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম ) পল্লবকান্তি ঘোষ গতকাল, বুধবার বলেন , ‘ধৃত ম্যানেজারের নাম প্রসেনজিৎ ঠাকুর ওরফে রাহুল রায়৷ অভিযুক্ত ট্রেনারদের নাম প্রণবজ্যোতি দাস ওরফে রাহুল মণ্ডল , শুভঙ্কর প্রমাণিক ওরফে জিৎ সরকার , দীপিকা দে ওরফে ঈশিতা রায় , সঙ্গীতা রায় ওরফে প্রীতি রায় , মৌসুমি চক্রবর্তী ওরফে স্নেহা ও গীতা বছার ওরফে অনন্যা৷ ’ ধৃতদের এ দিন আদালতে তোলা হলে বিচারক তাঁদের আগামী ২ জুলাই পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন৷ তবে দলের পাণ্ডা এখনও পলাতক।

পত্রমিতালির নামে কলকাতায় দেহ ব্যবসার রমরমা

Advertisement
---