‘বিয়েতে নাচ গান করা ইসলাম বিরোধী’

নয়াদিল্লি: ফের সংবাদ শিরোনামে প্রভাবশালী মুসলিম ধর্মগুরু সংগঠন দারুল উলুম দেওবান্দ৷ এবার সঙ্গীত ও নৃত্যচর্চা তাঁদের নিশানায়৷ দেওবান্দের ধর্মগুরুদের বক্তব্য মুসলিম সম্প্রদায়ের বিয়েতে নাচ গান করা একেবারেই ইসলাম বিরোধী৷

সোমবার এমনই বক্তব্য রাখেন তাঁরা৷ তাঁদের মতে ইসলামের বিরুদ্ধে গিয়ে বিয়েতে নাচ গান করা একেবারেই অন্যায্য কাজ৷ অবিলম্বে এই রীতি বন্ধ হওয়া উচিৎ৷ কোনও মুসলিম বিয়েতে নাচ গান হলে, সেই বিয়ে বন্ধ করে দেওয়ারও নিদান দিয়েছেন তাঁরা৷

সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কাজি মুফতি আজহার হুসেইন জানিয়েছেন দেওবান্দের কোনও ধর্মগুরুই সেই বিয়েতে অংশ নেবেন না, যেখানে নাচ গানের ব্যবস্থা রয়েছে৷ ডিজে বা কোনও ধরণের সঙ্গীতানুষ্ঠানকে বরদাস্ত করবে না তাঁরা বলে জানিয়ে দিয়েছেন৷ কারণ এই ধরণের আচরণ ইসলাম বিরোধী৷

- Advertisement -

তবে যদি নিকাহের আগে নাচ গানের ব্যবস্থা করা হয় এবং কাজী সে সম্পর্কে অবগত না থাকেন, তবে সেটা ব্যতিক্রম হিসেবে ধরা হবে৷ এর আগে, রাজস্থানের কোটায় মুসলিম বিয়েতে ডিজের ব্যবহার, উচ্চগ্রামে মাইক ও মিউজিক ব্যান্ডের ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন এলাকার মুসলিম ধর্মগুরুরা৷

এরআগে আরও একবার বিতর্ক তৈরি করে দারুল উলুম দেওবান্দ৷ এক ফতোয়া জারি করে মুসলিম নারীদের নির্দেশ দেওয়া হয় তাঁরা যেন কোনো ব্যাঙ্ক কর্মচারীকে বিয়ে না করেন৷ এমন অদ্ভুত ফতোয়া জারির পিছনে তুলে ধরা হয়েছে ইসলামের উপার্জন সংক্রান্ত নীতির কথা।

সেই নীতি বলছে, সুদ ইসলামে ‘হারাম’ বা পাপ বলেই গণ্য হয়। এ দিকে, ব্যাঙ্কের উপার্জনের মূল মাধ্যমই হল ঋণগ্রহীতাদের সুদ। ফলে, ব্যাঙ্ক কর্মচারীরা বেতনও পান সেই সুদের অংশ থেকে। এ ভাবে দেখলে ইসলামের মতে এক ব্যাঙ্ক কর্মচারী এবং তাঁর পরিবার চলছেন হারামের পথে। তাঁদের জীবনযাত্রার সব কিছুই সে ক্ষেত্রে হয়ে উঠছে অপবিত্র। তাই মুসলিম মেয়েদের ব্যাঙ্ককর্মীদের বিয়ে না করতে বলেছিল এই সংগঠন৷

Advertisement ---
---
-----