ভগবত গীতা, জীবন দর্শনের অন্য নাম৷ অনেক সময় এটি আবার ‘সর্ব শাস্ত্র শিরোমনি’৷ সে যাই হোক, বিশ্বের সর্বাধিক রুপান্তরিত শাস্ত্রগুলির মধ্যে গীতার নাম বিশেষ উল্লেখযোগ্য৷ কিন্তু জানেন কী, গীতা মূলত ‘যোগা’গ্রন্থ? হ্যাঁ, ‘যোগা’র নবজাগরণ ঘটেছে গীতার বিশেষ কয়েকটি অধ্যায়ে৷ জানা যায়, পাঁচ হাজার বছর আগে ভগবানের দেহধারীর মুখ নিঃসৃত বাণীই (সর্বোচ্চ জ্ঞান)পরিচিতি পায় গীতার শ্লোক রুপে৷ যদিও, গীতার শ্লোকগুলির মাধ্যমে ‘ভগবান উবাচ’ এর উপস্থিতি লক্ষ্য করা গিয়েছে৷

১৮ টি অধ্যায়ের প্রতিটির বিস্তৃতি ঘটেছে এক একটি স্বতন্ত্র ধারণাকে কেন্দ্র করে৷ তবে, শেষের অংশগুলি পবিত্রতা নির্ভর৷ ‘গীতা’তে বিভিন্ন দিক, যেমন জ্ঞান, কর্ম, আত্মত্যাগ, নিষ্ঠা, ত্যাগ, উপলব্ধি এবং মুক্তি সর্ম্পকে বিশদে বর্ণনা করা হয়েছে৷ যেগুলি আবার গীতার এক একটি অংশ৷ এই সাতটি উপাদানকে স্বতন্ত্র করা হলে প্রত্যেকটি অসম্পূর্ণ৷ অনেকের ধারণা, যোগার বিভিন্ন দিক এগুলি৷ যার মধ্যে বেশ কিছু সহজ, আর কিছু কঠিন৷

Advertisement

গীতার মতাদর্শ অনুযায়ী, ‘যোগা’ এর অর্থ ‘আত্মার ঐক্য’৷ নিয়মিত যোগা অনুশীলন মানুষের একাধিক খারাপ গুণকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে৷ তবে, এ হল পুরনো ধারণা৷ বদলেছে সময়, বদলেছে ধারণা৷ আর সেভাবেই পরিবর্তন এসেছে ‘যোগা’র সংঘাতেও৷ বিষয়টিকে ভাঙা হয়েছে একাধিক ধাপে, যার মধ্যে রয়েছে ধ্যান (মেডিটেশন) সহ একাধিক বিষয়৷ যেগুলি শারীরিক ও মানসিক উভয়দিকের বিকাশ ঘটাতে সাহায্য করে থাকে৷

----
--