সীমান্তে মাদক ওষুধসহ গ্রেফতার যুবক

স্টাফ রিপোর্টার,মুর্শিদাবাদ : ইন্দো-বাংলা সীমান্তের লালগোলায় নার্কটিক কন্ট্রোল ব্যুরোর অভিযানে মিলল ‘ইয়াবা’মাদক ট্যাবলেটেরহদিস।এই মাদক বাংলাদেশ যুব সমাজের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় বলে জানা গিয়েছে।তার চেয়ে অধিক জনপ্রিয় রোহিঙ্গাদের মধ্যেও। সপ্তাহখানেক আগে এই মদক নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী খোদ শেখ হাসিনা।

জেলা পুলিশকে গোপন রেখে নার্কোটিক কন্ট্রোল ব্যুরো অর্থাৎ এনসিবি’র কলকাতা শাখা লালগোলায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ‘ইয়াবা’ আটক করে।গ্রেফতার করা হয় মাইনুল শেখ নামের এক পাচারকারীকে। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে এনসিপির কলকাতা শাখার এক দল কর্মী লালগোলা বাজার থানার নশিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে থেকে জনার্দন পুরের বাসিন্দা বছর ছাব্বিশের মাইনুল হক পাচারের উদ্দেশ্যে ওই ট্যাবলেট নিয়ে বাজারের ঢুকতে যায়।ওই যুবক কিছু বোঝে ওঠার আগেই এনসিবি কর্তারা তাকে আটক করে।ধৃতের কাছে থেকে ১৫৫০ টি ট্যাবলেট উদ্ধার করতে সমর্থ হয় ওই কর্তারা।যার আনুমানিক আন্তর্জাতিক বাজার মূল্য ১৮র লক্ষেরও বেশি।

এনসিবি লালগোলা থানার গোলাপনগর এলাকায় এই অভিযান চালিয়ে ওই মাদক কারবারীকে গ্রেফতার করে।এনসিবির দাবি শুধু মাইনুল নয় লালগোলা থানার বেশ কিছু যুবক ওই মাদক ট্যাবলেট পাচারের সঙ্গে যুক্ত।ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তাদের সন্ধান মিলবে বলে এনসিবির অনুমান।

- Advertisement -

লালচে রঙের ট্যাবলেটের মত দেখতে হলেও কোন স্ট্রিপে সাধারণ ওষুধের মত পাওয়া যায়না এই মাদক ট্যাবলেট।চোরা গোপ্তা পথে মায়ানমার থেকে এই মাদক ট্যাবলেট মনিপুর হয়ে রাজধানী কলকাতার বারুইপুর পথ অতিক্রম করে ঢুকেছে ইন্দো-বাংলা সীমান্তের লালগোলায়।আর সেখান থেকেই পদ্মা পেরিয়ে ‘ইয়াবা’ পৌঁছে যায় বাংলাদেশে।এমনটাই দাবি নার্কোটিক দফতরের।।’ইয়াবা’ ট্যাবলেটের ‘মেথামফেটামাইন’ নামক উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন মাদক মিশ্রনে তৈরি হয়।ফলে ওই ট্যাবলেট খুব কম সময়ের মধ্যেই একজন যুবক কে আসক্ত করতে পারে বলে সংস্থার পক্ষ থেকেও দাবি করা হয়েছে।

Advertisement
---