স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: জিঞ্জিরা বাজার থেকে বাটানগর পর্যন্ত বিস্তৃত পশ্চিমবঙ্গের দীর্ঘতম উড়ালপুল সম্প্রীতির উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার বিকেলই তিনি আউটরাম ঘাটে আগত গঙ্গাসাগরের সাধু-সন্ত ও পূর্ণার্থীদের শুভেচ্ছা জানাতে যাবেন৷ সেখান থেকেই তিনি রিমোটের মাধ্যমে ওই উড়ালপুলের উদ্বোধন করবেন। ৬.৮ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সেতুটি শহরের যানজট কমাবে বলেই মত রাজ্য সরকারের৷ বজবজ, তারাতলা, রামনগর থেকে বাটানগর যাওয়ার রাস্তা আরও সহজ হবে৷ কেএমডিএ-র এক আধিকারিকের কথায়, সর্বোচ্চ ৩০ মিনিটে তারাতলা থেকে পৌঁছে যাওয়া যাবে বজবজ৷

২০১২ সালে এই উড়ালপুর তৈরির কথা শোনা যায়৷ কিন্তু বেশ কিছু প্রতিবন্ধকতা ছিল ব্রিজ তৈরির ক্ষেত্রে৷ প্রথমে খরচ নিয়ে একটা জটিলতা তৈরি হয়৷ নিয়ম অনুযায়ী, কেন্দ্রের জেএনএনইউআরএম মোট খরচের এক তৃতীয়াংশ টাকা বহন করবে৷ বাকিটা দেবে রাজ্য৷ যদিও ব্রিজটি তৈরির ক্ষেত্রে রাজ্য পিপিপি মডেলে একটি বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়৷

কিন্তু সমস্যা শুরু হয়, কেন্দ্রে নরেন্দ্র মোদির সরকার আসায় এই জেএনএনইউআরএম প্রকল্প বাতিল করে দেওয়া হয়৷ ফলে সেই টাকার ভাগ এসে পড়ে রাজ্যের ঘাড়ে৷ সেতু তৈরিতে মোট খরচের পরিমাণ ৩৫০ কোটি বলেই কেএমডিএ সূত্রে খবর৷ কিন্তু রাজ্য দিয়েছে ৮৭ কোটি টাকা, বাকি পুরোটাই দিয়েছে বেসরকারি সংস্থা৷ আর এই বাকি পরিমাণ টাকা ওই বেসরকারি সংস্থাকে মিটিয়ে দেবে বলেছিল রাজ্য৷ কিন্তু তা না দেওয়ায় ব্রিজে টোল ট্যাক্স চালু করে সেই টাকা তুলবে বলেই ভেবেছিল ওই বেসরকারি সংস্থা৷ আর এতেই রাজ্যের সঙ্গে বেসরকারি সংস্থার মতপার্থক্য ঘটায় থমকে ছিল ব্রিজের উদ্বোধন৷

রাজ্যের দীর্ঘতম উড়ালপুলের উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী

রাজ্যের দীর্ঘতম উড়ালপুলের উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রীবিস্তারিত জানাচ্ছেন আমাদের সংবাদদাতা নিবেদিতা দেএই সংক্রান্ত প্রতিবেদন পড়তে ক্লিক করুন http://bit.ly/2RKK0EY

Kolkata24x7 यांनी वर पोस्ट केले शुक्रवार, ११ जानेवारी, २०१९

যদিও পরে টোল নিয়ে মতের মিল হয় দুপক্ষের৷ পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী জানান, দু’চাকা ও ছোট গাড়ির ক্ষেত্রে লাগবে না টোল ট্যাক্স৷ শুধু মাত্র পণ্যবাহী গাড়ির ক্ষেত্রেই টোল দিতে হবে৷ মোটরবাইক ও দু’চাকা গাড়ির টোল বহন করবে রাজ্য৷

শুধু তাই নয়, ২০১২ সালের পর প্রথমে ব্রিজের ডিজাইনিং নিয়েই জটিলতা ছিল একাধিক৷ ছিল জমি নিয়ে জটিলতাও৷ কারণ যেই রাস্তায় ব্রিজ তৈরি হবে সেখানে বেশ খানিকটা অংশ বন্দর ও রেলের৷ ফলে বন্দর ও রেলের থেকে জমি নিয়ে বেশ কাঠখড় পোড়াতে হয় রাজ্যের৷